কেন চোখ ওঠে? চোখ উঠলে করনীয় কি কি?


 বর্তমান সময়ে চোখ উঠা রোগটি বেড়েই চলেছে। এই মুহূর্তে সবচেয়ে আলোচিত হচ্ছে এই রোগটি। এই রোগটিকে বলা হয়ে থাকে কনজাংটিভাইটিস। আজকে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করবো চোখ উঠে কোন কারণে? চোখ উঠার লক্ষনগুলো কি কি? চোখ উঠলে করনীয় কি হবে? একটা একটা করে আপনাদের সঙ্গে বিস্তারিত ভাবে নিচে আলোচনা করবো। সবার আগে আমাদের জানতে হব..


কেন চোখ উঠে?


চোখ উঠার প্রথম কারন হলো ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার। এটা কখনো কখনো অ্যালার্জির কারনেও হতে পারে। প্রায় দেখা যায় একটা নির্দিষ্ট মৌসুমে যখন বাতাসের আদ্রতা বেশি থাকে সেই সময় চোখ উঠার প্রাদুর্ভাব বেশি হয়।


যেহেতু এই রোগটি ছোঁয়াচে সেহেতু এই রোগটা খুব সহজেই একজনের থেকে অন্য মানুষের শরীরে ছড়িয়ে যায়। এখন প্রশ্ন হলো..


চোখ উঠা রোগটি কিভাবে কিভাবে ছড়ায়?


রোগীর ব্যবহৃত জিনিসপত্র যেমন গামছা, রুমাল বা অন্য কাপড়চোপড় ব্যবহার করলে এই রোগটি ছড়াতে পারে। রোগীর সংস্পর্শে গিয়ে সেই হাত না ধুয়ে চোখ ছুঁলে রোগটি ছড়াতে পারে। এককথায় রোগটি ছোঁয়াচে হওয়ার ফলে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। এদিক থেকে একটু সচেতন হতে হবে।


চোখ উঠলে আমি বুঝবো কি করে? চোখ উঠার লক্ষনগুলো আসলে কি কি?


নিচে লক্ষন গুলো দেওয়া হলো:


০১. চোখ লাল হওয়া।

০২. প্রথম এক চোখ লাল হয়ে যায় তারপর দুই চোখ লাল হয়ে যায়।

০৩. চোখের পাতা ফুলে যায়।

০৪. আলোর দিকে তাকাতে পারেনা।

০৫. চোখ দিয়ে বার বার পানি বের হয়।

০৬. চোখ দিয়ে তাকাতে পারেনা, চোখ পিটপিট করে।

০৭. চোঁখে ব্যথা হয়।

০৮. অস্বস্তিবোধ হয়।


রোগটি ভালো হতে কতদিন সময় লাগে?


এক সপ্তাহের মতো সময় লাগে, কারো ক্ষেত্রে এর কম বেশি লাগতে পারে।



রোগটি হলে করনীয় কি হবে?


০১. রোগটি এমনি এমনি ভাল হয়ে যায়।

০২. রোগীকে সানগ্লাস পরিধান করতে হবে।

০৩. চোখ চুলকানো থেকে বিরত থাকতে হবে।

০৪. চোখ মোছার জন্য আলাদা পরিষ্কার কাপড় ব্যবহার করতে হবে।

০৫. আর অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে যাতে রোগটি অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়তে না পারে।

০৬. ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন ড্রপ ব্যবহার করবেন না।


লেখাটি অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে সবাইকে সচেতন করুন ধন্যবাদ।


Post a Comment

0 Comments